বিআরটিএ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রশ্ন: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তর: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স, যাহা দ্বারা কোনো ব্যক্তি একজন বেতনভোগী কর্মচারী হিসাবে মোটরযান বা গণপরিবহণ চালাইবার অধিকারী হন।
২. প্রশ্ন: গণপরিবহন কাকে বলে?
উত্তর: গণপরিবহন অর্থ ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত বা ব্যবহারের জন্য উপযোগী যে কোনো মোটরযান।
৩. প্রশ্ন: চ্যাচিস কী?
উত্তর: চ্যাসিস অর্থ মোটরযানের প্রধান কার্যকরী অংশ বা ফ্রেম বা ভিত্তি কাঠামো যাহার উপর মোটরযানের প্রধান যন্ত্রাংশ ও বডি সংযুক্ত থাকে এবং যাহা মোটরযান শনাক্তকারী ইউনিক নম্বর বহন করে।
৪. প্রশ্ন: বাস কী?
৪. প্রশ্ন: বাস কী?
উত্তর: বাস অর্থ এইরুপ যাত্রীবাহী মোটরযান যাহার হুইল বেইজ অন্যূন ৪৯০০ মিলিমিটার, এবং আর্টিকুলেটেড বাসও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৫. প্রশ্ন: প্রাইম মুভার কী?
উত্তর: প্রাইম মুভার অর্থ এইরুপ কোনো মোটরযান যাহা ট্রেইলর বা অন্য কোনো মোটরযান টানিয়া লইবার জন্য নির্মিত বা অভিযোজিত, তবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ব্যতীত নিজে কোনো ভার বহনের জন্য নির্মিত নয়।
৬. প্রশ্ন: একজন পেশাদার চালক দৈনিক কত ঘণ্টা চালাবে বা মোটরযানে কর্মঘণ্টা কত?
উত্তর: একটানা ৫ ঘণ্টার বেশি নয়। অতঃপর ন্যূনতম ৩০ মিনিট বিশ্রাম বা বিরতি দিয়ে আবার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি নয়। তবে ১ সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয় (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক)।
৭. প্রশ্ন: মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর: মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যানবাহন বা পরিবহণযান যাহা সড়ক, মহাসড়ক বা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত, নির্মাণ বা অভিযোজন করা হয় এবং যাহার চালিকাশক্তি অন্য কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ উৎস হইতে সরবরাহ হইয়া থাকে এবং কোনো কাঠামো বা বডি সংযুক্ত হয় নাই এইরুপ চ্যাসিস ও ট্রেইলাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, তবে সংস্থাপিত বা সংযুক্ত রেলের উপর দিয়া চলাচলকারী অথবা একচ্ছত্রভাবে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানা বা অন্য কোনো নিজস্ব চত্বরে বা অঙ্গনে ব্যবহৃত যানবাহন অথবা মনুষ্য বা পশু দ্বারা চালিত যানবাহন ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না (সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা-২ (৪২)।
৮. প্রশ্ন: ইঞ্জিনের প্রধান প্রধান কয়েকটি যন্ত্রাংশের নাম কী?
উত্তর:
ক. সিলিন্ডার হেড;
খ. সিলিন্ডার ব্লক;
গ. পিস্টন;
ঘ. ক্রাংকশ্যাফট
ঙ. ক্যাম ও ক্যাম শ্যাফট;
ঙ. ক্যাম ও ক্যাম শ্যাফট;
চ. কানেকটিং রড
ছ. বিয়ারিং;
জ. ফ্লাইহুইল ও
ঝ. অয়েল প্যান ইত্যাদি।
৯. প্রশ্ন: পেট্রোল ইঞ্জিন ও ডিজেল ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর:
ক. পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে পেট্রোল ব্যবহার করা হয় কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়;
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক করে ইগনিশন করা হয় কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কমপ্রেশন করে ইগনিশন করা হয়;
গ. পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কার্বুরেটরের স্থলে ইনজেক্টর থাকে;
ঘ. পেট্রোল ইঞ্জিন অটো সাইকেলে কাজ করে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিন ডিজেল সাইকেলে কাজ করে।
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক করে ইগনিশন করা হয় কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কমপ্রেশন করে ইগনিশন করা হয়;
গ. পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কার্বুরেটরের স্থলে ইনজেক্টর থাকে;
ঘ. পেট্রোল ইঞ্জিন অটো সাইকেলে কাজ করে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিন ডিজেল সাইকেলে কাজ করে।
১০. প্রশ্ন: কী কী লক্ষণ দেখা দিলে ইঞ্জিন ‘ওভার হলিং’ করার প্রয়োজন হয়?
উত্তর:
ক. ইঞ্জিনে জ্বালানি এবং লুব অয়েল (মবিল) বেশি খরচ হলে;
খ. ইঞ্জিন হতে অত্যধিক কালো ধোঁয়া বের হলে;
গ. বোঝা বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে ;
ঘ. ফার্স্ট গিয়ারে উঁচু রাস্তার উঠবার সময় ইঞ্জিন মোটরযানকে টানতে না পারলে।
১১. প্রশ্ন: ইঞ্জিন কুলিং সিস্টেমের কাজ উদ্দেশ্য কী?
খ. ইঞ্জিন হতে অত্যধিক কালো ধোঁয়া বের হলে;
গ. বোঝা বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে ;
ঘ. ফার্স্ট গিয়ারে উঁচু রাস্তার উঠবার সময় ইঞ্জিন মোটরযানকে টানতে না পারলে।
১১. প্রশ্ন: ইঞ্জিন কুলিং সিস্টেমের কাজ উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপমাত্রা হ্রাস করে ইঞ্জিনকে কার্যকারী তাপমাত্রায় রাখাই কুলিং সিস্টেমের উদ্দেশ্য বা কাজ
১২. প্রশ্ন: রেডিয়েটরের কাজ কী?
উত্তর: রেডিয়েটরের কাজ ইঞ্জিনের ওয়াটার জ্যাকেটের পানি ঠান্ডা করা। রেডিয়েটর হতে ঠান্ডা পানি পাম্পের সাহায্যে ওয়াটার জ্যাকেটের মাধ্যমে ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা করে এবং গরম অবস্থায় পুনরায় রেডিয়েটরে ফিরে আসে। রেডিয়েটরে এই গরম পানি ঠান্ডা হয়ে পুনরায় ইঞ্জিনের ওয়াটার জ্যাকেটে যায়।
১৩. প্রশ্ন: কুলিং ফ্যানের কাজ কী?
উত্তর: রেডিয়েটরের ভেতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করা এবং গরম পানিকে ঠান্ডা করা।
১৪. প্রশ্ন: এয়ার কুলিং সিস্টেমে ইঞ্জিন কিভাবে ঠান্ডা হয়?
উত্তর: ইঞ্জিন সিলিন্ডার ও হেডের চতুর্দিকে বেশ কিছু পাতলা লোহার পাত (ফিন) থাকে। বাতাসের সংস্পর্শে এই পাতলা লোহার পাতসমূহ ঠান্ডা হয়ে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে। যেমন: মোটরসাইকেল, অটোরিকসা ইত্যাদি মোটরযানে এয়ার কুলিং সিস্টেম দেখা যায়।
১৫. প্রশ্ন: ওয়াটার কুলিং সিস্টেমে কী ধরনের পানি ব্যবহার করা উচিত?
উত্তর: ডিস্টিল্ড ওয়াটারের ন্যায় পরিস্কার পানি, যেমন-পরিস্কার পুকুর, নদী ও বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা উচিত। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ও লৌহ মিশ্রিত পানি (কোনো কোনো টিউবওয়েলের পানি) ব্যবহার করা উচিত নয়।
১৬. প্রশ্ন: ফ্যানবেল্ট কোথায় থাকে?
উত্তর: ইঞ্জিনের পুলি, ফ্যান পুলি ও ডায়নামো পুলির ওপরে পড়ানো থাকে।
১৭. প্রশ্ন: একটি ইঞ্জিন অত্যধিক গরম অবস্থায় চলছে তা কীভাবে বুঝা যাবে?
উত্তর:
(ক) ড্যাশবোর্ডে টেম্পারেচার মিটারের কাটা লাল দাগে চলে যাবে;
(খ) ইঞ্জিনে খট খট শব্দ (নকিং) হবে;
(গ) পানি বেশি বাষ্পায়িত হয়ে ওভারফ্লো পাইপ দিয়ে বের হতে থাকবে;
(ঘ) ক্রমান্বয়ে ইঞ্জিনের শক্তি কমতে থাকবে।
(গ) পানি বেশি বাষ্পায়িত হয়ে ওভারফ্লো পাইপ দিয়ে বের হতে থাকবে;
(ঘ) ক্রমান্বয়ে ইঞ্জিনের শক্তি কমতে থাকবে।
১৮. প্রশ্ন: ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে করণীয় কী এবং এ অবস্থায় মোটরযান চালালে কী অসুবিধা হবে?
উত্তর: প্রথমে ইঞ্জিন বন্ধ করে সুবিধামতো স্থানে মোটরযান পার্ক করতে হবে এবং বনেট খুলে ইঞ্জিন ঠান্ডা হতে দিতে হবে। তারপর ইঞ্জিন গরম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে যেকোনো মুহূর্তে পিস্টন ও বিয়ারিং গলে গিয়ে ইঞ্জিন জ্যাম বা সিজড হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ইঞ্জিন পুনরায় ওভারহলিং করতে হবে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
১৯. প্রশ্ন: এয়ারক্লিনারের কাজ কী?
উত্তর: বাতাসে যেসমস্ত ধূলিকণা থাকে তা পরিস্কার করে বিশুদ্ধ বাতাস ইঞ্জিনে সরবরাহ করা। পরিস্কার বাতাস কার্বুরেটরের মধ্যে প্রবেশ না করলে ধূলিকণা পেট্রোলের সাথে মিশ্রিত হয়ে ইঞ্জিনের সিলিন্ডার, পিস্টন এবং পিস্টন রিংয়ের অতি দ্রুত ক্ষয় সাধন করে।
২০. প্রশ্ন: কার্বুরেটরের অবস্থান কোথায় এবং এর কাজ কী?
উত্তর: কার্বুরেটরের অবস্থান ইঞ্জিনের ইনটেক ম্যানিফোল্ডের ওপরে ও এয়ার ক্লিনারের নিচে। ফুয়েল ও বাতাসকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করে ইঞ্জিনে সরবরাহ করাই এর কাজ।
২১. প্রশ্ন: ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ কী?
উত্তর: প্রত্যেকটি স্পার্ক প্লাগে হাই ভোল্টেজ কারেন্ট পৌঁছে দেওয়া ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ।
২২. প্রশ্ন: কনডেনসারের কাজ কী?
উত্তর: ডিস্ট্রিবিউটরের কনট্যাক্ট ব্রেকার পয়েন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা।
২৩. প্রশ্ন: স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে?
উত্তর: পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হেডে।
২৪. প্রশ্ন: এয়ারলক ও ভেপারলক এর অর্থ কী?
উত্তর: ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে এয়ারলক বলে। ফুয়েল লাইন অত্যধিক তাপের সংস্পর্শে আসলে লাইনের ভেতর ভেপার বা বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্পের চাপে লাইনের ভেতর ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হওয়াকেই ভেপারলক বলে।
২৫. প্রশ্ন: কোন কোন ত্রুটির কারণে সাধারণত ইঞ্জিন স্টার্ট হয় না ?
উত্তর:
(ক) জ্বালানি (পেট্রোল/ডিজেল/সিএনজি/এলএনজি) না থাকলে;
(খ) ব্যাটারিতে চার্জ না থাকলে বা দুর্বল হলে;
(গ) সেল্ফ স্টার্টার ঠিকমতো কাজ না করলে;
(ঘ) কার্বুরেটর ঠিকমতো কাজ না করলে;
(ঙ) ইগনিশন সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে;
(চ) ডিজেল ইঞ্জিনের জ্বালানি লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে।
(খ) ব্যাটারিতে চার্জ না থাকলে বা দুর্বল হলে;
(গ) সেল্ফ স্টার্টার ঠিকমতো কাজ না করলে;
(ঘ) কার্বুরেটর ঠিকমতো কাজ না করলে;
(ঙ) ইগনিশন সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে;
(চ) ডিজেল ইঞ্জিনের জ্বালানি লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে।
২৬. প্রশ্ন: কী কী কারণে ইঞ্জিন চালু অবস্থায় বন্ধ হতে পারে?
উত্তর:
(ক) জ্বালানি (পেট্রোল/ডিজেল/সিএনজি) শেষ হয়ে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে;
(খ) ডিজেল ইঞ্জিনের জ্বালানি লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে;
(গ) স্পার্ক প্লাগে অতিরিক্ত তেল (মবিল) বা কার্বন জমা হলে;
(ঘ) কার্বুরেটরে ফ্লাডিং হলে অর্থাৎ কার্বুরেটরে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ হলে;
(ঙ) এক্সিলারেটর প্রয়োজনমতো না চেপে ক্লাচ প্যাডেল ছেড়ে দিলে;
(চ) অতিরিক্ত বোঝা বহন করলে।
(খ) ডিজেল ইঞ্জিনের জ্বালানি লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে;
(গ) স্পার্ক প্লাগে অতিরিক্ত তেল (মবিল) বা কার্বন জমা হলে;
(ঘ) কার্বুরেটরে ফ্লাডিং হলে অর্থাৎ কার্বুরেটরে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ হলে;
(ঙ) এক্সিলারেটর প্রয়োজনমতো না চেপে ক্লাচ প্যাডেল ছেড়ে দিলে;
(চ) অতিরিক্ত বোঝা বহন করলে।
২৭. প্রশ্ন: ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকা সত্ত্বেও একটি ঠান্ডা ইঞ্জিন স্টার্ট না হলে কী করতে হবে?
উত্তর: মিকচার আরো রিচ করতে হবে (এ্যাক্সিলারেটর দাবায়ে কার্বুরেটর ফ্লাডিং দ্বারা অথবা এয়ার ইনটেক সম্পূর্ণ বন্ধ করে) ।
২৮. প্রশ্ন: ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকা সত্ত্বেও একটি ইঞ্জিন গরম অবস্থায় স্টার্ট না হলে কী করতে হবে?
উত্তর: মিকচার খুব বেশি রিচ হলে এমনটি হয়। ইগনিশন সুইচ অফ করে এবং থ্রটল ভালভ সম্পূর্ণ খুলে ইঞ্জিনকে কয়েকবার ঘুরাতে হবে। তারপর থ্রটল ভালভ বন্ধ করে ইগনিশন সুইচ অন করতে হবে।
২৯. প্রশ্ন: ডিজেল ইঞ্জিনে গভর্নরের কাজ কী?
উত্তর: গর্ভনর, ডিজেল ইঞ্জিনের ফুয়েল (ডিজেল) সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে ইঞ্জিনের স্পিড বা গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
=0=
0 Comments